Home / অর্থনীতি / জুনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

জুনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

কিষাণের দেশ অনলাইন : বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘আগামী মাসে ১ হাজার মেগাওয়াট ও জুনে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এর মধ্যে ভারত থেকে আসবে ৫০০ মেগাওয়াট। মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) রাতে আবারও বিদ্যুতের সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছে।’ বুধবার (২৫ এপ্রিল) বিদ্যুৎ বিভাগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সচিব জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২১ হাজার ৬৫৯ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১১৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তিস্বাক্ষর হয়েছে। বর্তমানে মোট ১৩ হাজার ৭৭১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৪৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে চালু হবে এগুলো।

ড. আহমদ কায়কাউসের ভাষ্য, ‘দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ১৩৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১১টায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ১৩৭ মেগাওয়াট, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।’

গত ১৯ মার্চ মাসে বিদ্যুতের উৎপাদনের রেকর্ড ঘোষণা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। তখন বিদ্যুতের উৎপাদন হয়েছিল ১০ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট। ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘গত বছর অক্টোবরে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছিল সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৫০৭ মেগাওয়াট। এরপর আমরা আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি। প্রতি মাসে তিন থেকে সাড়ে ৩ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে আরইবি। বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ মাসে ঝড়-বৃষ্টির কারণে আমাদের চাহিদা কমেছিল, আরেকদিকে (বিদ্যুৎ লাইনের ওপর গাছ পড়ে) উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল।’

 

বিদ্যুৎ সচিব জানান, সরকার নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে শুধুমাত্র পল্লী বিদ্যুতের সেবার মান বাড়ানোর জন্য বিতরণ লাইন উন্নয়ন করছে। তিনি বলেন, ‘সুখবর হলো এলএনজি জাহাজ বাংলাদেশের উপকূলে এসে গেছে। এখন গ্যাসের অভাবে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালাতে পারছিলাম না সেগুলো চালানো সহজ হবে। প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর জন্য উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি হবে।’

 

এ সময় সাংবাদিকরা লোডশেডিং বেড়েছে জানালে তা অস্বীকার করেন বিদ্যুৎ সচিব। তার দাবি, ‘বর্তমানে দেশে কোনও লোডশেডিং নেই। আমাদের উৎপাদনে কোনও সমস্যা নেই। বিতরণ সমস্যা ও ঝড়ের কারণে ডালপালা পড়ে কিছু লাইন ছিড়ে যাওয়ায় এ কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুতের সমস্যা হচ্ছে। আবার অনেক সময় সাবস্টেশনগুলো এমনভাবে গড়া যে, গ্রামীণ এলাকায় কারিগরি সমস্যা হলে কেন্দ্র থেকে দ্রুত মেরামত করা যায় না। এলাকাবাসী ফোন দিয়ে জানালে তখন টিম গিয়ে মেরামত করে। এ কারণে সময় লেগে যায়।’

About Rubayed al Hasan

Check Also

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন করছে ৫ কোটি মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট ::  এখন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছতে পারেনি। দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ ব্যাংকিং সুবিধার আওতার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *