Home / ফিচারড নিউজ / ডিআইজি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ। জেলা সমবায় কর্মকর্তা বাহাদুরপুর এলাকায় সমবায় সমিতির টাকা আত্নসাৎ এর ঘটনায় তদন্ত থামিয়ে দিয়ে,বাল্যবিয়ে বন্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের উপর চড়াও

ডিআইজি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ। জেলা সমবায় কর্মকর্তা বাহাদুরপুর এলাকায় সমবায় সমিতির টাকা আত্নসাৎ এর ঘটনায় তদন্ত থামিয়ে দিয়ে,বাল্যবিয়ে বন্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের উপর চড়াও

বিশেষ প্রতিনিধি :: ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার খাগডহর ইউপির বাহাদুরপুর কৃষি সমবায় সমিতিতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে কয়েকটি অভিযোগ বিভাগীয় সমবায় অফিসে দেওয়ার পরেও ঘটনার তদন্ত না করে জেলা সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধামাচাপা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আর এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করবার লক্ষে একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে উক্ত বিষয়ে প্রশাসনের কাছে কে খবর দিল? তা খুজে বের না করেই অভিযোগকারী ও সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়। ঘটনাটি সুপরিকল্পিত ভাবে জেলা সমবায় কর্মকর্তার পরামর্শে সাজায় বিএনপি জামাতের লোক সমিতি সংশ্লিষষ্টরা। পরবর্তীতে অফিসের লোক মারফত জানা যায়,সমিতির অবসায়নে বিষয়টি জেলা সমবায় কর্মকর্তা প্রত্যাহার করেছে।

সূত্র বলছে, সমবায় অফিসের  ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান, জেলা সমবায় কর্মকর্তাা আ: ওয়াহেদ এর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আর কোন অভিযোগ যেন ভবিষ্যতে না উত্থাপিত না হয়।এলাকায় অভিযোগ  উঠেছে সমিতির দীর্ঘদিনের পনের লক্ষ টাকার হিসাব যেন প্রকাশ্যে সাধারণ সদস্য দের উপস্থিতিতে না দিতে হয়।

সূত্র আরো বলছে, সমিতির সিন্ডিকেট সদস্য  এর দ্বারা একটি অপরিচিত নাম্্ব্বার থেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনকে জানায়, যাতে করে করেে এলাকার লোকজন। ক্ষিপ্ত হয় সাংবাদিক ও অভিযোগকারী গণে উপর।

বিষয়টি বাহাদুুুরপুর কৃষি সমবায় সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারী যোগসাজোশ করে তৃৃৃৃতীয় ব্যক্তিদের কে দিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের লোকজনের কাছে ফোন করে বাল্যবিয়ে অনুুুুষ্ঠানের বিষয়ে। ঘটনার সাথে সমিতির সেক্্র্রেটা রীর ভাইও অতপ্রোতভাবে জড়িত, যিনি প্রশাসন কে খবর দেওয়া নিয়ে  এলাকার অশিক্ষিত মানুুুুষকে ভুুুল বুুুঝিয়ে  সাংবাদিক ও অভিযোগকারিদের উপর  উস্কে দেয়।  এ নিয়ে এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এতে সমবায় সমিতির উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা রয়েছে।

বাল্য বিয়ে সম্পর্কে যেকোন  সচেতন ব্যক্তি  প্রশাসনকে খবর দিতেই পারে, কিন্ত  এইটা নিয়ে মিথ্যা সন্দেহে সাংবাদিকের ও তাহার পরিবারের উপর চড়াও হওয়াতে চরম আতংকে ভোগছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিক-সম্পাদক মো: ওমর বলেন, “বাল্যবিয়ে হচ্ছে –  এমন  একটি খবর সমিতি সংশ্লিষ্ট লোকেরা দেয় আমার নাম ব্যবহার করে। যাতে করে সমিতির আত্নসাৎকৃত টাকা সরকারকে হিসাব না দিতে হয়। বর্তমানে  আমি নিরাপত্ততাহীনতায় ভুগছি।”

তাই এলাকার সচেতন ব্যক্তি মহল মনে করে সমিতির বিষয়ে ঘায়েল করবার লক্ষেে বাল্যবিয়ের মত বেআইনি কাজ কেন  সাংবাদিক সমর্থন করল না – এই বলে সাংবাদিক পরিবারের  উপর চড়াও হওয়া দু:খজনক বিষয়।

অপরদিকে সমিতির বর্তমান অবস্থা, কার কাছে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এসব বিষয়ে জানতে ময়মনসিংহ জেলা সমবায়  কর্মকর্তা  আব্দুল ওয়াহেদ – এর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলে তা রিসিভ না করে কেটে দেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *