Home / বিনোদন / সালমান খান : দ্য ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি

সালমান খান : দ্য ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি

অনেক নেগেটিভ রিভিউ পেয়েছিল তাঁর সর্বসাম্প্রতিক ছবি ‘রেস ৩’। এমনকি ভারতখ্যাত দূরদর্শী ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শও নেগেটিভ ট্যুইট করতে ছাড়েননি।

 

 

বলেছিলেন, হতাশাজনক। তার পরও সব নেগেটিভিটিকে ভেঙে দেয় ‘রেস ৩’-এর বক্স অফিস সাফল্য। যদিও খুব একটা বেশি নয়, তবুও যথেষ্ট।

এ বিষয়টি দ্বারা সেই কথাটিই প্রতিষ্ঠিত হয়, যে কথাটা বর্তমানে বলিউডে খুব চলে। কথাটি হলো; অন্যদের হিট ছবি যা আয় করে সালমান খানের ফ্লপ ছবি তার চেয়ে বেশি আয় করে।

 

একটি ছবিকে ব্যবসাসফল করার জন্য সালমান খান একাই যথেষ্ট। তাই অনেকেই এই বলিউড সুপারস্টারকে ‘ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি’ বলে থাকেন।

 

হিট বা ব্যবসাসফল ছবির তালিকার দিকে একবার চোখ রাখলে দেখা যাবে, এই তালিকায় সালমান খানের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মি. পারফেকশনিস্ট আমির খান। যদিও গ্লোবাল বক্স অফিস কালেকশনের ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু এদিকওদিক হতে পারে।

 

 

তবুও, সালমান খান এক অর্থে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

আসুন, সমীকরণ দেখি এবং মেনে নিই, সালমান খান, দ্য ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি।

 

সালমান খান

(আজকের তারিখ পর্যন্ত)

৯টি : ১০০ কোটি প্লাস ছবি। দাবাং (২০১০) ১৪১.২৪ কোটি, রেডি (২০১১) ১২০.৭২ কোটি, বডিগার্ড (২০১১) ১৪৪.৭৮ কোটি, এক থা ট্গিার (২০১২) ১৮৬.১৪ কোটি, দাবাং ২ (২০১২) ১৪৯.৫২ কোটি, জয় হো (২০১৪) ১০৯.৩৫, প্রেম রতন ধন পায়ো (২০১৫) ১৯৪.৩০ কোটি, টিউবলাইট (২০১৭) ১১৪.৫৭ কোটি এবং রেস ৩ (২০১৮) ১৫৫.২২ (১০ দিনের বক্স অফিস আয়)

 

১টি : ২০০ কোটি প্লাস ছবি। কিক (২০১৪) ২১১.৬৩ কোটি।

 

৩টি : ৩০০ কোটি প্লাস ছবি। বজরঙ্গি ভাইজান (২০১৫) ৩১৫.৪৯ কোটি, সুলতান (২০১৬) ৩০০.৬৭ কোটি এবং টাইগার জিন্দা হ্যায় (২০১৭) ৩৩৯ কোটি।

 

আমির খান

(আজকের তারিখ পর্যন্ত)

থ্রি ইডিয়টস (২০০৯) ২০১.৩৭ কোটি, ধুম ৩ (২০১৩) ২৬০.৬৩ কোটি, পিকে (২০১৪) ৩৩৭.৭২ কোটি এবং দঙ্গল (২০১৬) ৩৭৪.৫৩ কোটি।

সূত্র : ডিএনএ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *